ArticleIDPicAddressSubjectDate
{ArticleID}
{Header}
{Subject}

{Comment}

 {StringDate}
 
 
ক্বোরআনের সত্যতা 
 
সুতরাং হে পিতা, তুমি আল্লাহকে ভয় কর এবং তোমার কন্যার ব্যাপারে দুনিয়া-দারীর চেয়েও বেশী গুরত্ব দাও। আর তুমি তাদের অন্তর্ভূক্ত হয়ো না, যাদের সম্পর্কে রাসূলুলস্নাহ্‌ (সা:) এরশাদ করেছেন : ‘দাইউস ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করবে না।’ সাহাবায়ে কেরাম (রা:) জিজ্ঞেস করলেনঃ হে আল্লাহ্‌র রাসূল! দাইউস কে? উত্তরে রাসুলূলস্নাহ (সা:) বললেন, ‘যে ব্যক্তি তার পরিবারে আল্লাহ্‌র আদেশ-নিষেধ বাস্তবায়নের ব্যাপারে কোন তৎপরতা অবলম্বন করে না বরং উপেক্ষা করে চলে।’ অন্য বর্ণনায় এসেছে যে, ‘দাইউস হল সে, যে তার পরিবারে বেহায়পনার বাস্তবায়নে সন্তষ্ট ও পরিতুষ্ট।’ (আহমদ) সম্রাট নেপোলিয়ন বলেছেন সম্রাট নেপোলিয়ন বলেছেন : Give me a good mother,I shall give you a good nation. ‘আমাকে একটি ভাল মা দাও, আমি তোমাকে একটি ভাল জাতি উপহার দেব।’ উল্লেখ্য, এমন আমূল উত্তম জাতি দিয়ে সারা বিশ্বে বিজয়ী হতে পারে ইসলাম ও মুসলিম জাতি আর বিশ্ব পরিপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে সুখ, শান্তি, পারষ্পরিক নিরাপত্তা ও স্হিতিশীলতায়। ফলে কায়েম হবে পারষ্পরিক ভালোবাসা ও সম্প্রীতি। আর এভাবেই হয়ে উঠতে পারে এই মর্তের পৃথিবীটা একটি জান্নাত হিসাবে।
 
 
 
 
 
মুহাম্মাদ রাসুলুল্লাহ
 
নূরনবী মোস্তফা (সাঃ) ( ৪১তম পর্ব) ইসলামের শত্রুরা কেবল অন্ধ একগুয়েমী ও হিংসার কারণেই সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) ও তাঁর প্রচারিত পবিত্র ইসলাম ধর্মের অবমাননা করছে৷ পাশ্চাত্যের তরফ থেকে ইসলাম ও বিশ্বনবী (সাঃ)'র এতো অবমাননা এবং এ ধর্মের বিস্তার প্রতিরোধের জন্যে এতো অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্র সত্ত্বেও মানবজাতির সর্বোত্তম কল্যাণের দিশারী বিশ্বনবী (সাঃ)'র প্রতি জনগণের সম্মান কমেনি বরং তা বেড়েই চলেছে৷ একইসাথে ইসলামের প্রতি জনগণের আকর্ষণও বৃদ্ধি পাচেছ৷ অন্যকথায় বিশ্বনবী (সাঃ)'র পুত-পবিত্র চরিত্র এবং তাঁর অসাধারণ মহতী গুণাবলীকে কালিমালিপ্ত করার জন্যে আধুনিক যুগের আবু জাহেল ও আবু লাহাবদের ষড়যন্ত্রগুলো অতীতের মতোই ব্যর্থ হয়েছে৷ যেসব লোক অপরিচছন্ন ও সংকীর্ণ চিন্তাধারায় অভ্যস্ত এবং নৈতিকতা ও যুক্তির ধার ধারে না, তারা সাধারণতঃ অন্যদেরকেও বিশেষ করে মহাপুরুষকেও নিজের মতোই খারাপ, যুক্তি-বিরোধী ও অপবিত্র মনে করে৷ ইরানী প্রবাদবাক্যে বলা হয় একজন অবিশ্বাসী বা কাফের অন্যদেরও কাফের মনে করে৷ অন্যদিকে যারা সত্যসন্ধানী, যুক্তিবাদী ও চিন্তাশীল তারা মানব জাতির পথ প্রদর্শক ও মহান ব্যক্তিদের শ্রদ্ধা করে থাকেন৷ প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের অনেক অমুসলিম লেখক, গবেষক, মনিষী ও চিন্তাবিদ বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ)'র ব্যক্তিত্ব ও চরিত্র সম্পর্কে নিরপেক্ষ বিচার-বিশ্লেষণ করতে গিয়ে প্রকৃত বা বস্তুনিষ্ঠ এবং বিদ্বেষমুক্ত মতামত তুলে ধরেছেন৷ গত অনুষ্ঠানে আমরা এ ধরনের কয়েকজন খ্যাতনামা ব্যক্তিত্বের মতামত তুলে ধরেছি৷ আজও আমরা বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ)'র নূরাণী ও তুলনাহীন ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে ধরনের আরো কয়েকজন খ্যাতনামা অমুসলিম ব্যক্তিত্বের মতামত তুলে ধরবো৷ পাশ্চাত্যের নূরনবী মোস্তফা (সাঃ) ( ৩৯তম পর্ব) বিশ্বের সমস্ত মুসলমান এ ব্যাপারে একমত যে বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) আল্লাহর প্রেরিত সর্বশেষ নবী ও রাসূল এবং ইসলামী বিধান বা শরিয়ত খোদায়ী ধর্মগুলোর মধ্যে পরিপূর্ণতম৷ রাসূল (সাঃ) যে সর্বশেষ নবী এ বিশ্বাস ইসলামের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও মৌলিক বিশ্বাসগুলোর মধ্যে অন্যতম৷ এই বিশ্বাসের সপক্ষে পবিত্র কোরআন ও হাদীসে অনেক স্পষ্ট দলীল-প্রমাণ রয়েছে৷ এ ছাড়াও ইসলামী বিধি-বিধানের প্রকৃতি থেকেও ইসলামী বিধানের স্থায়ীত্ব ও সার্বজনীনতা স্পষ্ট৷ (বাজনা) পবিত্র কোরআনে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ)'র পর আর কোনো নবী আসবেন না৷সূরা আহযাবের ৪০ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, মুহাম্মাদ তোমাদের মধ্যকার কোনো পুরুষের পিতা নয়, কিন্তু তিনি আল্লাহর রাসূল এবং সর্বশেষ নবী৷ আল্লাহ সবকিছু সম্পর্কে অবহিত৷ অন্যদিকে পবিত্র কোরআনের আয়াতে ইসলামকে চিরন্তন ও সর্বজনীন ধর্ম হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে৷ ইসলামের বিধানও কোনো স্থান বা সময়সীমার গন্ডীতে সিমীত নয়৷ যেমন, সূরা ফোরক্বানের এক নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, কত মহান তিনি যিনি তাঁর
 
 
 
 
 
اخبار شيعه
 
 
 
 
 
 
پاسخ شبهات عليه شيعه
 
মাহদীইজম সম্পর্কে ভুল ধারণাসমুহের অপনোদন প্রথমত: মাহদাভিয়াত সম্পর্কে ভুলধারনাগুলিকে জানা ও তার সঠিক উত্তর দেওয়া অর্থাৎ এই বিষয়ের উপর আলোচনা করা হচ্ছে ইমাম মাহ্‌দী (আ.)-এর প্রতি প্রতীক্ষার নৈতিক রুপ, যা এখানে আমাদের আলোচ্যের মুল বিষয়... اسلام على المهدى وعد الله تعالى الامم ان يجمع به الكلم و يلم به الشعث و يملا به الارض قسطا و عدلا كما ملئت ظلماً و جورا
 
 
 
 
 
حكومت جهاني امام مهدي(عج)
 
শবে বরাত হযরত আলী (আঃ) নবী করীম (সাঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, যখন শা'বানের পনেরো তারিখ হতো তখন তিনি বলতেন, তোমরা এ রাতে এবাদতে জাগ্রত থাকো এবং দিনের বেলায় রোজা রাখো। কেননা এ রাতে সূর্যাস্তের সাথে সাথে আল্লাহ দুনিয়ার নিকটবর্তী আসমানে নেমে এসে বলেন, ‘আছো কি কোন প্রার্থনাকারী-আমি তার প্রার্থনা কবুল করবো। আছো কি কোন রিযিক অন্বেষণকারী-আমি তাকে রিযিক দান করবো। আছো কি কোন রুগ্ন ব্যক্তি-আমি তাকে সুস্থতা দান করবো। এ ধরনের আরো কেউ আছো কি-আমি তার প্রয়োজন মিটিয়ে দেবো। এমন করে সুবহে সাদিক পর্যন্ত আল্লাহ প্রত্যেক গোত্রের নাম ধরে ধরে ডাকতে থাকেনসত্য যে কারণে প্রকাশ পায় নি ও পাচ্ছে না ইমামের চারজন প্রতিনিধি যেহেতু বনি উমাইয়্যা ও বনি আব্বাসের খেলাফতকালে খলিফারা ইচ্ছাকৃতভাবে এমন সব কাজ করেছিল যাতে করে প্রকৃত ইসলাম থেকে মানুষ দুরে সরে যায় এবং মানুষের মাঝে প্রকৃত ইসলামের প্রচার না হয়। আর তাদের ক্ষমতার স্বার্থে প্রকৃত ইসলামে যখন যেটা পল্টানোর প্রয়োজন হয়েছে তখন সেটা পল্টিয়েছে আবার যখন যেটা সংযুক্ত করার প্রয়োজন হয়েছে তখন সেটা সংযুক্ত করেছে। অর্থাৎ যেভাবে পেরেছে প্রকৃত ইসলামকে নিজেদের পক্ষে ব্যবহার করেছে। জালালুদ্দিন আব্দুর রহমান সূয়ূতি তার নিজ গ্রন্থে ওমর বিন আব্দুল আ’যিযের পরে আসা ইয়াযিদ বিন আব্দুল মালিক বিন মারওয়ানের খেলাফতকাল সম্পর্কে লিখেছেন
 
 
 
 
 
سيره چهارده معصوم(ع)
 
 
 
 
 
 
مباحث اجتماعي اسلام
 
 
 
 
 
 
نقد فرهنگ ها و تمدنها
 
মুসলিম উম্মাহর ধারণা ও জাতিয়তাবাদ সমাজবদ্ধ ও ঐক্যবদ্ধ থাকাই মানুষের ফিতরাত বা স্বভাব। শত্রুর হামলার মুখে ঐক্য বা সমাজবদ্ধতা মানুষের জীবনে শুধু প্রয়োজনীয়ই নয়, অপরিহার্যও। তাই সৃষ্টির শুরু থেকে মানুষ শুধু খাদ্যই খোঁজেনি বা ঘরই গড়েনি, একতার বন্ধনও গড়েছে। পরিবার, সমাজ, সমিতি ও রাষ্ট্র গড়ে উঠেছে তো সে প্রয়োজন পুরনের অপরিহার্যতায়। ব্যক্তিতে ব্যক্তিতে নানা বিষয়ে বিতর্ক থাকতে পারে, কিন্তু একতা বা সংগঠিত হওয়ার গুরুত্ব নিয়ে নানা ধর্ম ও নানা মতবাদের মানুষের মাঝে বিতর্ক নেই। ইসলাম তো একতাবদ্ধ হওয়াকে অপরিহার্য ইবাদত বলে, বিভক্তির প্রতিটি উদ্যোগ বা প্রয়াসকে বলে হারাম। কোন কোন ক্ষেত্রে মুসলমানদের মাঝে বিভক্তি সৃষ্টি করা তো হত্যা যোগ্য অপরাধ। এ ব্যাপারে কঠোর নিষেধাজ্ঞা এসেছে নবীজী (সাঃ) থেকে। বলা হযেছে, “এ ইসলামি উম্মাহর সুদৃঢ় সূত্রকে যে ব্যক্তি ছিন্ন করতে চাইবে, তাকে তরবারী দ্বারা শায়েস্তা কর –সে ব্যক্তি যে কেউ হোক না কেন।” -সহিহ আল-মুসলিম।অপসংস্কৃতির জোয়ারে ভাসা বাংলাদেশ বাংলাদেশ ভাসছে অপসংস্কৃতির জোয়ারে। এ জোয়ারে প্রবল ভাবে প্লাবিত হয়েছে বাংলাদেশের বিপুল সংখ্যক মানুষের মনের ভূবন। বন্যার প্লাবনে ভাসলে দেশের মাটি থাকে, লোক-লস্কর থাকে, নতুন আবাদের সম্ভাবনাও থাকে। ফলে নিজ পায়ে দাঁড়ানোর কিছু সামর্থও থাকে। এমন প্লাবনে বাংলাদেশ বহুবার ভেসেছে। কিন্তু অপসংস্কৃতির জোয়ারে আর যাই হোক দেশের সুস্থ্য পরিচিতি থাকে না। অপসংস্কৃতির সে দূষীত জোয়ারে দেশের মাটি না ভাসলেও ভেসে যায় মানুষের চরিত্র, ধ্যান-ধারণা, ধর্ম ও আদর্শ। এতে শুধু নিজস্ব সংস্কৃতিই বিনষ্ট হয় না, বিপন্ন হয় জাতির প্রতিরক্ষা, রাজনীতি, অর্থনীতি ও নৈতিক মেরুদন্ড। মন ও মননে, নীতি ও নৈতিকতায়, চিন্তা ও চেতনায় জাতি তখন পঙ্গুত্ব পায়। এমন বিধ্বস্ত জাতি বেঁচে থাকে নিছক এক জৈবিক অস্তিত্ব নিয়ে। শিকড়হীন কচুড়িপানার ন্যায় জাতিও তখন ভাসমান অস্তিত্ব পায়। শিকড়কাটার এ কাজে এক সময় জাতিতে জাতিতে যুদ্ধ হত, প্রচুর অর্থ ও