মাহদীইজম সম্পর্কে ভুল ধারণাসমুহের অপনোদন
প্রথমত: মাহদাভিয়াত সম্পর্কে ভুলধারনাগুলিকে জানাও তার সঠিক উত্তর দেওয়া অর্থাৎ এই বিষয়ের উপর আলোচনা করা হচ্ছে ইমাম মাহ্দী(আ.)-এর প্রতি প্রতীক্ষার নৈতিক রুপ, যা এখানে আমাদের আলোচ্যের মুল বিষয়...
اسلام على المهدى وعد الله تعالى الامم ان يجمع به الكلم و يلم به الشعث و يملا به الارض قسطا و عدلا كما ملئت ظلماً و جورا
প্রথমত: মাহদাভিয়াতসম্পর্কে ভুলধারনাগুলিকে জানা ও তার সঠিক উত্তর দেওয়া অর্থাৎ এই বিষয়ের উপর আলোচনাকরা হচ্ছে ইমাম মাহ্দী (আ.)-এর প্রতি প্রতীক্ষার নৈতিক রুপ, যা এখানে আমাদেরআলোচ্যের মুল বিষয়।
যদি মাহদীইজম নিজ ও সমাজগঠনের একটি মুল স্তম্ভ হয়ে থাকে, যা আছে, তাহলে অবশ্যই তার ক্ষতিকারক দিকসমূহগুলিকেপর্যালোচনা করাও একটি আবশ্যিক ও জরুরী বিষয়।
অতএব যে সমস্ত সংস্থাগুলিএই বিষয়ের উপর পর্যালোচনা ও মাহদীইজম সম্পর্কে ভুল ধারণাগুলির সঠিক উত্তর দিয়ে থাকেসে সংস্থাগুলি প্রতিষ্ঠা হওয়া একান্ত প্রয়োজন।
দ্বিতীয়: মাহদীইজমসম্পর্কে ভুলধারনাগুলি নিয়ে পর্যালোচনা করতে প্রচুর সময়েরও প্রয়োজনরয়েছে।
যদি আমরা চাই কেন বিষয়েরসঠিক অর্থটিকে হস্তগত করতে, তাহলে অবশ্যই সর্বপ্রথম ঐ বিষয়ের সমস্ত দিকগুলিকেবিবেচনা করতে হবে, ভুলধারনাগুলিকে এবং যারা এ সমস্ত ধারনাগুলিকে সমাজে উপস্থাপনকরেছে, বিভক্ত করতে হবে। অতপর পর্যালোচনা করতে হবে এবং অন্ততপক্ষে সংক্ষিপ্তাকারেঅক্ষমুলক ভুলধারনাগুলির উত্তর দিতে হবে। সুতারং আমাদের আলোচ্য বিষয়টিকে এইপ্রেক্ষাপটে ‘‘মাহদাভিয়াত সম্পর্কে ভুলধারনাগুলির পর্যালোচনা করার প্রয়োজনীয়তা’’ অনুবর্তন করব।
ভুল ধারণাগুলির ভাবার্থো ওবৈশিষ্ট:
প্রশ্ন ও ভুল ধারণার মধ্যেযে সম্পর্কটি বিদ্যমান তা হচ্ছে যে প্রত্যেক ভুল ধারনায়প্রশ্ন কিন্তু সব প্রশ্নকেইভুল ধারনা বলা যায় না। ভুল ধারণা নিজেই একপ্রকার প্রশ্ন, এমনই প্রশ্ন যা কিছু বোঝারবা জানার জন্য উপস্থাপন করা হয়না।
কিছু জানার অথবা নিজজ্ঞানকে বিস্তৃত করার জন্যে বা সঠিক রাস্তায় হেদায়াত পাওয়ার জন্যে এ সকল প্রশ্ন করাহয়না। ভুল ধারনাগুলির বিশিষ্ট কিছু বৈশিষ্ট আছে এবং সে বৈশিষ্টগুলি সম্পর্কে এআলোচনার প্রথম অধ্যায়ে আমরা বক্তব্য রাখব, অবশ্য এ সমস্ত ভুল ধারণাগুলি মাহদীইজমবিষয়ের উপর ভিত্তি করে হবে।
ভুল ধারণাগুলি বিষয়বস্তুভিত্তিক, কোনটি ধরন কোনটি পদ্ধতি আবার কোনটি প্রকৃতির উপর ভিত্তি করে উপস্থাপন হয়েথাকে।
প্রথম বৈশিষ্ট হচ্ছে ভুলধারণাগুলির বিষয়াদি আক্রমণাত্তক ও প্রত্যাখ্যানের সাথে হয়ে থাকে। যেমন প্রশ্ন করাহয় ইমাম মাহদী (আ.) কি সত্যিই জন্মগ্রহন করেছেন? হযরত মাহদি (আ.) যে জন্মগ্রহণকরেছেন, তার কি কোন সাক্ষ্য আছে? প্রশ্নকারীর এ সমস্তপ্রশ্ন করার উদ্দেশ্য হচ্ছেসম্পূর্ণ মাহদীইজম মূলনীতিকে প্রত্যাখান করা। আর এমতবস্থায় দলিল ও যুক্তিউপস্থাপণকরা সত্যেও প্রশ্নকারী সম্মত হয় না। কারন তার ইচ্ছা হচ্ছে ইমাম মাহদী (আ.)জন্মগ্রহণ করেছেন এই মূলভিত্তিকে ত্রুটিপুন্য করে দিতে চাই।